প্রবন্ধ

জ্ঞান, অজ্ঞান ও বিজ্ঞান প্রসঙ্গে শ্রীরামকৃষ্ণদেব



সৌমিত্র মজুমদার


ভৌত বিশ্বের যা কিছু পর্যবেক্ষণ যোগ্য, পরীক্ষণ যোগ্য ও যাচাই যোগ্য, তার সুশৃঙ্খল, নিয়মতান্ত্রিক গবেষণা ও গবেষণালব্ধ জ্ঞান ভাণ্ডারের নাম বিজ্ঞান। সরল বাংলায় বলতে গেলে বিজ্ঞান শব্দের অর্থ - 'বিশেষ জ্ঞান'। এর আবিষ্কারকের নাম বিজ্ঞানী।

শ্রীরামকৃষ্ণদেবও নানা উদাহরণ দিয়ে এই কথাটি বলেছেন। "অনেক জানার নাম অজ্ঞান। সর্বভূতে ঈশ্বর রয়েছেন - এর নাম জ্ঞান। তাঁকে লাভ করে ভালোবাসা, আত্মীয়বোধ, তাঁর সাথে আলাপের নাম বিজ্ঞান।"

"বিজ্ঞান - কিনা বিশেষ রূপে জানা। কেউ দুধ শুনেছে, কেউ দুধ দেখেছে, কেউ খেয়েছে। যে কেবল শুনেছে, সে অজ্ঞান। যে দেখেছে, সে জ্ঞানী, যে খেয়েছে, তারই বিজ্ঞান অর্থাৎ বিশেষ রূপে জানা হয়েছে। ঈশ্বর দর্শন করে তাঁর সহিত আলাপ, যেন তিনি পরমআত্মীয়, এরই নাম বিজ্ঞান।"

শ্রীরামকৃষ্ণদেব জ্ঞান আর অজ্ঞান প্রসঙ্গে বলেছেন, "যতক্ষণ ঈশ্বর দূরে এইবোধ ততক্ষণ অজ্ঞান; যতক্ষণ হেথা, হোথা বোধ, ততক্ষণ জ্ঞান। যখন ঠিক জ্ঞান হয়, তখন সব জিনিস চৈতন্যময় বোধ হয়।"

বেদের মন্ত্রে উল্লেখ আছে -"যতোবাইমানিভূতানি জায়ন্তে জাতানি জীবস্তি। যৎ প্রয়োন্তরি সংবিশন্তি তদ্বিজিজ্ঞাসস্য তদ ব্রহ্মোতি।।"

যা থেকে সব কিছুর উৎপত্তি, যা সব কিছুকে ধরে রেখেছে, লালনপালন করছে এবং সব কিছু লয় প্রাপ্ত হয় - তুমি তাকে জানো।

নিজের অভিজ্ঞতায় শ্রীরামকৃষ্ণদেব বলেছেন, "তিনিই ব্রহ্ম। ব্রহ্মজ্ঞান হলে সংসারাসক্ত, কামিনীকাঞ্চনে উৎসাহ - সব চলে যায়। সব শান্তি হয়ে যায়। তবে জীব-জগৎ, চতুর্বিংশতি তত্ত্ব, এসব তিনি আছেন বলেই আছে। তাঁকে বাদ দিলে কিছুই থাকে না। ১-এর পিঠে অনেক শূন্য দিলে সংখ্যা বেড়ে যায়, ১ পুঁছে ফেললে শূন্যে কোনও পদার্থ থাকে না। পূর্ণ জ্ঞান আর পূর্ণ ভক্তি একই। নেতি নেতি করে বিচারের শেষ হলে, ব্রহ্মাজ্ঞান। বিজ্ঞানীর স্বভাব আলাদা। যেমন - চৈতন্যদেবের অবস্থা। বালকবৎ, জড়বৎ, পিশাচবৎ।"

শ্রীরামকৃষ্ণদেবের কথায় - "জ্ঞান জ্ঞান বললেই কি জ্ঞান হয়? জ্ঞান হবার লক্ষণ আছে। দু'টি লক্ষণ - প্রথম অনুরাগ অর্থাৎ ঈশ্বরকে ভালোবাসা, শুধু জ্ঞান বিচার করছি, কিন্তু ঈশ্বরেতে অনুরাগ নাই, ভালোবাসা নাই, সে মিছে। আর একটি লক্ষণ-কুণ্ডলিনী শক্তির জাগরণ। কুলকুণ্ডলিনী যতক্ষণ নিদ্রিত থাকেন, ততক্ষণ জ্ঞান হয় না। বসে বসে বই পড়ে যাচ্ছি, বিচার করছি, কিন্তু ভিতরে ব্যাকুলতা নাই, সেটি জ্ঞানের লক্ষণ নয়।"

কিন্তু সাধারণ মানুষের পক্ষে এই জ্ঞান লাভ করা কি এতই সহজ? এই কন্টকময় দুনিয়ায় মানুষ যখন বিপর্যস্থ, মন যখন অশান্ত, লোভ, মোহ, অনাচার, অত্যাচারে জর্জরিত; ক্ষুধা, দারিদ্র, বঞ্চনা, হতাশায় মানুষ যখন দিশেহারা তখন মানুষের পক্ষে জ্ঞান লাভ করা কি সম্ভব?

শ্রীরামকৃষ্ণদেব বলেছেন, "হ্যাঁ সম্ভব"। তিনি বলেছেন, "দেখ জ্ঞান অজ্ঞানের পার হও, তবে তাঁকে জানতে পারা যায়। পাণ্ডিত্যের অহংকারও অজ্ঞান। যেমন পায়ে কাঁটা বিঁধেছে, সে কাঁটা তোলবার জন্য আর একটি কাঁটার প্রয়োজন। কাঁটাটা তোলবার পর দু'টি কাঁটাই ফেলে দিতে হয়। তিনি যে জ্ঞান অজ্ঞানের পার। অজ্ঞান রূপী কাঁটা আর জ্ঞান রূপী কাঁটা দু'টোই ফেলে দিতে হয়।"

প্রাচীন ভারতে মুনি-ঋষিরা কঠোর সাধনার মাধ্যমে এই পরম সত্যের সন্ধান পেয়েছিলেন। এই সাধনার ফলশ্রুতি - "বিজ্ঞানী দেখে ব্রহ্ম অটল, নিস্ক্রিয়, সুমেরুবৎ। এই জগৎ-সংসার তাঁর সত্ত্ব রজঃ তমঃ - তিন গুণে হয়েছে। তিনি নির্লিপ্ত।"

"বিজ্ঞানী দেখে যিনিই ব্রহ্ম তিনিই ভগবান; যিনিই গুণাতীত, তিনিই ষড়ৈশ্বর্য পূর্ণ ভগবান। এই জীব জগৎ, মন বুদ্ধি, ভক্তি বৈরাগ্য, জ্ঞান - এসবই তাঁর ঐশ্বর্য।"

শ্রীরামকৃষ্ণদেব বলেছেন, "কিন্তু ব্রহ্মজ্ঞানের পরও আছে। জ্ঞানের পর বিজ্ঞান। যার জ্ঞান আছে, বোধ হয়েছে, তার অজ্ঞানও আছে। বশিষ্ট শত পুত্রশোকে কাতর হলেন। লক্ষ্মণ জিজ্ঞাসা করাতে রাম বললেন, ভাই জ্ঞান অজ্ঞানের পার হও, যার আছে জ্ঞান, তার আছে অজ্ঞান। দেখ না, যার আলো জ্ঞান আছে, তার অন্ধকার জ্ঞান আছে; যার সুখবোধ আছে, তার দুঃখবোধ আছে; যার পুণ্যবোধ আছে, তার পাপবোধ আছে; যার ভালবোধ আছে, তার মন্দবোধ আছে; যার শুচিবোধ আছে, তার অশুচিবোধ আছে; যার আমি বোধ আছে, তার তুমিবোধ আছে।"

তাইতো ঠাকুর বার বার বলেছেন, "জ্ঞান, অজ্ঞানের পার হও।" তবেই তাঁকে বিশেষ রূপে জানা যায়।

গীতাতেও লেখা আছে, "জ্ঞান পরাবিদ্যা, বিজ্ঞান অপরাবিদ্যা।" শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে বলেছেন - "জ্ঞানং তেঅহং স বিজ্ঞান মিদং বক্ষাম্যশেষতঃ। জজ্ঞাত্বা নেহ ভূতোন্যজ্ঞাৎব্যমবশিষ্যতে।"

অর্থাৎ আমি তোমাকে এই বিজ্ঞান তত্ত্বজ্ঞান সম্বন্ধে সব বলব যা জানার পর সংসারে আর কিছু জানার থাকবে না।

শ্রীরামকৃষ্ণদেবও বলেছেন, "অজ্ঞান, জ্ঞান, বিজ্ঞান। জ্ঞানী দেখে তিনিই আছেন। তিনিই কর্তা, সৃষ্টি-স্থিতি-সংহার করছেন।"

" 'আমি' আর 'আমার' এইটির নাম অজ্ঞান। হে ঈশ্বর, তুমি কর্তা আর আমি অকর্তা; তুমি যন্ত্রী, আমি যন্ত্র; এইটির নাম জ্ঞান। তাঁকে বিশেষরূপে জানার নাম বিজ্ঞান।"

তিনি আরও বলেছেন, 'ঈশ্বরকে দেখা যায়; তপস্যা করলে তাঁর কৃপায় ঈশ্বর দর্শন হয়। ঋষিরা আত্মার সাক্ষাৎকার করেছিলেন। সায়েন্স-এ ঈশ্বরতত্ত্ব জানা যায় না, তাতে কেবল এটার সাথে ওটা মেশালে এই হয়। আর ওটার সঙ্গে এটা মিশালে এই হয়- এইসব ইন্দ্রিয়গ্রাহ্যের জিনিসের খবর পাওয়া যায়। বই পড়ে ঠিক অনুভব হয় না। অনেক তফাৎ। তাহাকে দর্শনের পর শাস্ত্র, সায়েন্স সব খড়কুটো। তাঁকে জানলে সবকিছু জানা যায়। তবে এর জন্য সাধনা প্রয়োজন। এই সম্বন্ধে বেদে সপ্তভূমির কথা আছে। এই সাত ভূমি মনের স্থান। যখন সংসারে মন থাকে, তখন লিঙ্গ, গুহ্য, নাভি মনের বাসস্থান। 'মনের চতুর্থ ভূমি- হৃদয়।' তখন প্রথম চৈতন্য হয়েছে। আর চারিদিকে জ্যোতিঃ দর্শন হয়। তখন সে ব্যক্তি ঐশ্বরিক জ্যোতি দেখে অবাক হয়ে বলে- 'একি!' একি। তখন তার নীচের দিকে (সংসারের দিকে) মন যায় না। 'মনের পঞ্চম ভূমি- কণ্ঠ।' মন যার কণ্ঠে উঠেছে, তার অবিদ্যা অজ্ঞান সব গিয়ে, ঈশ্বরীয় কথা বই অন্য কোনও কথা শুনতে বা বলতে ভালো লাগে না। যদি কেউ অন্যকথা বলে, সেখান থেকে উঠে যায়।

'মনের ষষ্টভূমি- কপাল।' মন যেখানে গেলে অহর্নিশি ঈশ্বরীয় রূপ দর্শন হয়। তখনও একটু 'আমি' থাকে। সে ব্যক্তি সেই নিরূপম রূপ দর্শন করে উন্মত্ত হয়ে, সেই রূপকে স্পর্শ আর আলিঙ্গন করতে যায় কিন্তু পারে না। 'শিরোদেশে সপ্তম ভূমি-' যেখানে মন গেলে সমাধি হয় ও ব্রহ্মজ্ঞানীর ব্রহ্মের প্রত্যক্ষ দর্শন হয়।'

ব্রহ্মজ্ঞানী তোতাপুরির মার্গদর্শনে ব্রহ্মজ্ঞান প্রাপ্ত হওয়ার পর শ্রীরামকৃষ্ণ ভাবাবিষ্ট হয়ে মা কালীর উদ্দেশ্যে বলেছেন, 'ওঁ ওঁ ওঁ- মা আমি কি বলছি। মা আমায় ব্রহ্মজ্ঞান দিয়ে বেহুঁশ করো না-মা আমায় ব্রহ্মহ্মজ্ঞান দিও না। আমি যে ছেলে। ভয় তরাসে। আমার মা চাই- ব্রহ্মজ্ঞানকে আমার কোটি নমস্কার। ও যাদের দিতে হয়, তাদের দাও গে। আনন্দময়ী! আনন্দময়ী!'

ঠাকুর উচ্চস্বরে কাঁদছেন আর গাইছেন -'আমি ওই খেদে খেদ করি (শ্যামা),তুমি মাতা থাকতে আমার জাগা ঘরে চুরি।'

শ্রীরামকৃষ্ণদেব ভক্তদের বলছেন -'তোমরা যাঁকে ব্রহ্ম বল, আমিই তাঁকে 'কালী' বলি। অর্থাৎ এক অবস্থায় যিনি নির্গুণ, নিরাকার, আর এক অবস্থায় তিনি সগুণ সাকার। যখন তিনি সগুণ ও সাকার, তখন তিনি জীব, জগৎ ব্রহ্মাণ্ড, তখন তিনি সৃষ্টি-স্থিতি, প্রলয়কারী ঈশ্বর, ভগবান, গড ও আল্লা। তিনি যেমন. সাকার, তেমনই নিরাকার।'

কি সুন্দর অভিজ্ঞতা লব্ধ উপলব্ধির সরল বর্ণনা।

বিজ্ঞানী আইনস্টাইনও ভারতীয় দর্শন এবং ঈশ্বর (God) শব্দটি মেনে নিয়েছেন। তিনি বলেছিলেন, 'বৈজ্ঞানিক গবেষণার উৎস হল এক মহান চালিকাশক্তি।'

১৯৪১ খৃীষ্টাব্দে 'নেচার' পত্রিকার এক প্রতিবেদনে আইনস্টাইন লিখেছিলেন - 'ধর্ম বিনা বিজ্ঞান খঞ্জ এবং বিজ্ঞান বিনা ধর্ম অন্ধ।' এইভাবে বিজ্ঞান সর্বদা ধর্মকে অনুসরণ করে চলেছে।

একটা সুন্দর উদাহারণ দিয়ে শ্রীরামকৃষ্ণদেব বুঝিয়েছেন, 'যারা নিজে সতরঞ্চ খেলে, তারা চাল তত বুঝে না, কিন্তু যারা না খেলে, উপর চাল বলে দেয়, তাদের চাল ওদের চেয়ে অনেকটা ঠিক ঠিক হয়। সংসারী লোক মনে করে, আমরা বড় বুদ্ধিমান কিন্তু তারা বিষয়াসক্ত। নিজে খেলছে। নিজের চাল ঠিক বুঝতে পারে না। কিন্তু সংসারত্যাগী সাধুলোক বিষয়ে অনাসক্ত। তারা সংসারীদের চেয়ে বুদ্ধিমান। নিজে খেলে না, তাই উপর চাল ঠিক বলে দিতে পারে। ঈশ্বর কত কি করেছেন। তাঁর অনন্ত ব্রহ্মাণ্ড তাঁর অনন্ত ঐশ্বর্যের জ্ঞান।'

শ্রীরামকৃষ্ণদেব গান গাইছেন -'ভবে আসা খেলতে পাশা, বড় আশা করেছিলাম।আসার আশা ভাঙ্গার দশা, প্রথমে পঞ্চুরি পেলাম।পবার আঠার ষোল, যুগে যুগে এলাম তাল, (শেষে)কচে বারো পেয়ে মাগো, পঞ্জা ছক্কায় বদ্ধ হলাম।ছ' দুই আট, ছ' চার দশ, কেউ নয় মা আমার বশ;খেলাতে না পেলাম যশ, এবার বাজি ভোর হইল।'

'পঞ্চুরি অর্থাৎ পঞ্চভূত। পঞ্জা ছক্কায় বন্দী হওয়া অর্থাৎ পঞ্চভূত এ ছয় রিপুর বশ না হওয়া। তিনকে ফাঁকি দেওয়া অর্থাৎ তিন গুনের অতীত হওয়া।'

'সত্ত্ব, রজঃ তমঃ - তিন গুণেতেই মানুষকে বশ করেছে। তিন ভাই সত্ত্ব থাকলে রজঃকে ডাকতে পারে, রজঃ থাকলে তমঃকে ডাকতে পারে। তিন গুণই চোর। তমঃগুণে বিনাশ করে, রজঃ গুণে বন্ধ করে, সত্ত্ব গুণে বন্ধন খোলে বটে; কিন্তু ঈশ্বরের কাছ পর্যন্ত যেতে পারে না। কিন্তু পথ দেখিয়ে দেয়।'

কি চমৎকার কথা। কত উচ্চস্তরের কথা বলেছেন 'নিরক্ষর' শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেব -'পঞ্চভূতের ফাঁদে, ব্রহ্ম পড়ে কাঁদে।'

অধুনা বিজ্ঞানীরাও শ্রীরামকৃষ্ণদেবের এই তত্ত্বক উপলব্ধি করেছেন। বিখ্যাত বিজ্ঞানী রিচার্ড ফিলিপ ফাইনম্যান বলেছেন,'বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের ক্রিয়াকলাপ যেন 'ঈশ্বরের পাশা খেলা'। সূর্য ডোবে, চাঁদ ওঠে, গ্রহনক্ষত্র আকাশে সন্তরণ করে। এসবই যেন পাশার খুঁটির চলাচল। বিজ্ঞানী দর্শক মাত্র। তিনি দেখতে পান না ঈশ্বরকে। দেখেন কেবল খুঁটির চলাচল। এই চলাচল দেখেই বিজ্ঞানকে জানতে হয়, আয়ত্বও করতে হয়, পাশা খেলার নিয়মাদি। অশ্বের চাল কিম্বা গজের মিন দেখে চিনতে হয় পাশার পাটাতন, অর্থাৎ মহাবিশ্বকে। কাজটা কঠিন, কৌতূহলদ্দীপকও।'

ধন্য শ্রীরামকৃষ্ণদেব। ধন্য তোমার বিজ্ঞান চিন্তন। তোমার বিজ্ঞান মানবের কল্যাণের জন্য উৎসর্গীকৃত, ধ্বংসের জন্য নয়।

সাহিত্যিক যাযাবর ঠিকই বলেছেন, 'আধুনিক বিজ্ঞান মানুষকে দিয়েছে বেগ, কিন্তু কেড়ে নিয়েছে আবেগ; তাতে আছে গতির আনন্দ, নেই যতির আয়েশ।'

জয়তু রামকৃষ্ণ


তথ্যসূত্র:

• শ্রীম রচিত রামকৃষ্ণ কথামৃত।

* এই লেখাটি গঙ্গাজলে গঙ্গাপূজার মত। তাঁরই চরণকমলে ভক্তিপূর্ণ অর্ঘ্য।

চিত্রঋণঃ অন্তর্জাল থেকে প্রাপ্ত।