বিবিধ

খাল-বিলের আখ্যান (দ্বিতীয় খণ্ড - অষ্টম পর্ব) [ধারাবাহিক]



মমতা বিশ্বাস


টোটো স্ট্যান্ড একদম ফাঁকা। লাইনে মাত্র দুটি গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে। প্রথম টোটোওয়ালাকে কুন্তী বলে, "ধাপাড়িয়া যাবে"?

পুবপাড়া না পশ্চিমপাড়া? রাস্তা খুব খারাপ। ভিতরে যাওয়া যাবে না।

কলমাবিলে বাইচ হয় সেখানে? যাবে? অচেনা জায়গা, নিয়ে গেলে ভালোই হয়। এখান থেকে কত কিলোমিটার হবে?

১৮ কিলোমিটার। গাড়ি যাবে না ক্যানে - যাবে, তবে পাঁচজন লোক হলে, তবে। বিলের ধার পর্যন্ত যাবে কিনা বলতে পারছিনে। হাফ কিলোমিটার হেঁটে চলে যাবেন।

কতক্ষণ বসলে পাঁচজন হবে?

তা কী বলা যায়। এখুনি হয়তো গাড়ি ভরে যাবে। আবার আধঘণ্টাও লাগতে পারে। বসতে হবে। রিজার্ভ করলে এখুনি গাড়ি ছাড়বে। অনেক রাস্তা। দেড়'শ টাকা লাগবে। অত অধৈর্য্য হলে চলে। ডাউন লালগোলা গেল। এক্ষুনি হয়তো দুই/চারজন লোক চলে আসবে। কথা শেষ হতে না হতেই ফলমূল ভরা ক্যারিপ্যাকেট দুই হাতে ঝুলিয়ে এক যুবক টোটোতে এসে বসল। এখনও তিনজন!

আগ বাড়িয়ে কুন্তী যুবককে জিজ্ঞাসা করল, "কোথায় যাবে?"

"ধাপাড়িয়া"।

যাক একজন তো হল। ধাপাড়িয়া যাবে শুনে কুন্তী যেন হাতে স্বর্গ পেল। যুবক তার শ্বশুর বাড়ি যাচ্ছে, অসুস্থ বউকে দেখতে। গতপরশু হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে।

ভালোই হল, গিন্নিকে দেখতে এসে নৌকা বাইচের মেলা দেখা হয়ে যাবে। কলমায় নৌকাবাইচের গল্প একটু শুনি। গিন্নি গল্প করেনি?

গল্প শোনার সময় হল কই? সাদীর দুই মাস পরে কাতারে কাজে চলে যায়। চারবছর পরে এসে দেখচি, ভারি অসুস্থ। হাসপাতাল বাড়ি আর ডাক্তার খানা! জেবন একেবারে জেরবার হয়ে গেল। বাপ-মায়ের কাছে থেকি তাউত হোক। শ্বশুর, শ্বশুরের বিটি মানুষ ভালো।

শ্বশুরের বিটির জন্য অনেক ফল নিয়েছো। তা, ভালো। বিদেশ যখন যাবে, তখন ঘুরে এসে সাদি করলেই তো হত? সাদি যখন করলেই, বিবিকে ফেলে রেখে যাওয়া কেন?

ফিক করে যুবক হেসে বলে উঠে, "বিয়ের বাজারে দর বাড়ে। পা-কাটির বেড়ার ঘর একবার ঘুরে আসতে পারলেই দালান-কুটা হয়ে যায়। স্মার্টফোন দেখিয়ে বলে, এর দৈলতে দূর কী আর দূর আছে? বাপ-মাও খুটোয় বেঁদে, তবে ছাড়ে।

বেশ বললে তো!

দশ মিনিট হয়ে গেল। কেউ এল না। টোটোওয়ালাকে তাগাদা দেয় কুন্তী, "চল ভাই আমি চারজনের ভাড়া দিয়ে দেব, তবে কলমার ধারে নামিয়ে দিতে হবে। লোক হয়ে গেলে ৫০ টাকা দেব। টোটো ছাড়ার শেষ মুহূর্তে বছর পাঁচ/ছয়েকের মেয়ের হাত ধরে একমহিলা কুন্তীর পাশে এসে বসল। নামবে ধাপাড়িয়া পূর্ব পাড়া। টোটো পাকা রাস্তায় উঠতে আরও দু'জন। মা-ছেলে। যাবে ম্যাচপোতা। দুনম্বরে নামবে। প্রতিবছর এই দিনে আসে, আর আসে গণেশজননী পুজোর সময়। পাশাপাশি দুই গ্রামের মানুষ উৎসবের আনন্দে মেতে ওঠে। জলের অভাবে বেশ কয়েকবছর প্রতীকী বাইচ হলেও মেলা বছর, বছর আকারে বেড়েছে। মেলা বসবে না শুনে গতকাল রাত থেকে ছেলের থেকে মায়ের মন খারাপ বেশি। বাইচে আসে, বাপ-মায়ের কাছে দুদিন থেকে যায়। মেলা উপলক্ষে সব বাড়িতে আত্মীয় কুটুম আসে। দেখা- সাক্ষাৎ হয়। এবছর কলমা কানাই কানাই ভরে উঠেছিল। বাপ তাকে বলেছিল,

"সত্যিকারের বাইচ হবে। বিশ গাঁ থেকে না আসুক দশ গাঁয়ের নৌকা আসবে। মাটি করে দিল গাঁয়ের কিছু দুর্বৃত্তরা। এসব গাঁয়ে হিন্দু-মুসলমানে দ্বন্দ্ব নেই।


কলমা বিল

ধাপাড়িয়া একচেটিয়া মুসলমান। গণ্ডগোল নিজেদের মধ্যে। অতীতের গণ্ডগোলের রেশ ছাই চাপা আগুনের মতো ছিল। মেলা কমিটির মিটিং-এ তার আঁচ পাওয়া গেল। দুই দল চাইল তারাই কর্তৃত্ব করবে। সবকিছু ভেস্তে যাওয়া দেখে তামিজ মিঞা বলেছিল দুইদলের লোক নিয়ে বাইচ কমিটি হলে ভালো হয়। এক গাঁয়ে বাস করে এত ভেদাভেদ ভালো না। সব যে ধর্ম, ধর্ম কর - ক্ষ্যামতা নেই ধরে রাখার? কলমা বিলের নৌকা বাইচের একটা সুনাম ছিল। বিশ-ত্রিশ গাঁয়ের মানুষ উৎসবে মেতে উঠত। অগভীর কলমায় জল থাকে না। অনেক বছর পর কলমার বুক ভরে উঠেছে, হোক না সত্যিকারের বাইচ। সত্যিকারের ভালো কিছু করতে হলে, অত গুমোর থাকলে চলে না।"

সপ্তাহখানেক আগে তামিজমিঞা ফোনে বাইচ বৃত্তান্ত তার বিটি জহেরাকে জানিয়েছিল। জহেরা কাজকর্ম গুছিয়ে তিনদিন আগে ব্যাগ গুছিয়ে নেয়। এসে হতাশ হবে ভেবে জহেরার মা গতরাতে ফোনে জানাই বাইচ-মেলা কিছুই হবে না; তবু তুই আসিস। থানার লোকে মাইকে প্রচার করে গেল। তোর আব্বাজান পথ চেয়ে বসে আছে। ছেলেকে নিয়ে সক্কাল সক্কাল চলে আসিস। বাপের কথা ভেবেই আজ তার আসা। দুই গায়ের দুই বউ-বিটিকে কুন্তী প্রশ্ন করে খুঁচিয়ে বাইচতথ্য জানতে পারছে।

কুন্তী প্রশ্ন করে, "হঠাৎ থানার লোকেরা মাইকে প্রচার করল কেন?"

সপ্তাহখানেক ধরে বড়োসড়ো গণ্ডোগোলের আভাস পাওয়ায় মুরুব্বিরা মেম্বারকে পঞ্চায়েত প্রধানের কাছে পাঠায়। প্রধান তো নেতাদের, দাদাদের হাতের পুতুল। উড়োভাসা শোনা যাচ্ছিল সবুজ-গেরুয়া বাহিনী তলে তলে প্রস্তুত হচ্ছে। বেলডাঙার দাঙ্গার ক্ষতের রক্ত শুকিয়ে যায়নি। প্রধান রিস্ক নিতে চাইল না। মেম্বারকে নিয়ে থানায় চলে যায়। মেলার পারমিশন খারিজ করার জন্য আবেদন জানায়। রাজনৈতিক মহল থেকে ফোন আসে থানার ওসির কাছে। পরিস্থিতি বিবেচনা করে গতকাল পুলিশের গাড়িতে মাইক লাগিয়ে প্রচার করে গেছে, নৌকাবাইচ হবে না, মেলাও বসবে না।

সাহাপাড়া সত্যপুর কালিবাস পেরিয়ে ধনঞ্জয়পুরে পৌঁছানোর সময়ের মধ্যে সহযাত্রিনীদের নাম জেনে নিয়েছে কুন্তী। বয়সে ছোটো, অনায়াসে তুমি বলতে সংকোচ নেই। অতীতের বাইচের প্রশ্নের উত্তরে ওরা নিশ্চুপ।

মর্জিনা বিবি বলে, "আপনি যেসকল প্রশ্ন করছেন বয়ষ্ক লোকেরা বলতে পারবে। আমরা কী আর অত জানি। আমাদের বাড়ি চলেন আপনার যা জানার জেনে নেবেন, আমার শ্বশুরমশায়ের কাছ থেকে। কলমাবিল ঘুরে দেখার লোকও দিয়ে দেব।

তুমি গেলেই হবে।

আমি যেতে পারব না। বাড়ির সবাই পছন্দ করে না ঘরের বউ-বিটিদের ঘুরে বেড়ানো। পাড়া-প্রতিবেশীদের নিন্দে-মন্দ শুনতে হয়।

তাহলে একটা টোটো হলেই হবে। টাকা যা নেয়, নেবে। ঘুরিয়ে দেখিয়ে দেবে।

জহেরারা দুইনম্বর রাস্তার মুখে নেমে গেল। ওখান থেকে ম্যাচপোতা যাওয়ার অন্য টোটো ধরে নেবে। ছোটো দুই ছেলে-মেয়ে নিয়ে আর একজন মহিলা উঠল। দাদিবাড়ি নৌকাবাইচের মেলা দেখতে যাবার জন্য কান্নাকাটি করছে সকাল থেকে। মেলা বসবে না, সেকথা বিশ্বাস করানো যায়নি। বাধ্য হয়েই বাচ্চাদের নিয়ে বেরিয়ে পড়েছে সে। ঘনঘন মায়ের ফোন। মায়ের বাড়ি পর্যন্ত টোটোতে যেতে গেলে অনেকটা ঘুরে যেতে হবে, আলপথে মাঠের মধ্যে দিয়ে গেলে অল্প রাস্তা। টোটো পৌঁছানোর আগেই বাচ্চাদের দাদি আলপথে রাস্তায় পৌঁছে গেছে। টোটো থেকে বাচ্চা দুটো নেমে দাদি দাদি বলে ঝাঁপিয়ে কোলে উঠে পড়ল।

পূর্বপাড়া টোটো স্ট্যান্ডের পাশেই মর্জিনা বিবিদের বাড়ি। বেথুয়া থেকে ধাপাড়িয়া পর্যন্ত গাঁয়ের পাকারাস্তার একই চিত্র। বাড়িগুলো উঁচুতে, রাস্তা নীচু। গোবর, ছাগলের নাদি, হাঁস মুরগির পায়খানা মাটি জলে মাখামাখি হয়ে পিচ রাস্তার কালো রঙ ধূসর করে ফেলেছে। বৃষ্টির জল জমে থেকে খানাখন্দ হয়ে গেছে।

কুন্তী, সামান্য সুড়ি পথে মর্জিনাদের বাড়ি পৌঁছে গেল। ওদের রান্নাঘর মাটির, শোবার ঘর পাকা। ঘর থেকে চেয়ার এনে বারান্দায় বসতে দিয়ে তার শাশুড়ি মাকে ডেকে এনে পরিচয় করালো। মস্ত বড় মেহমান যেন, ঘরে গিয়ে ফ্যানের নিচে বসার জন্য পীড়াপীড়ি। 'বাইচের দিনে আত্মীয় কুটুমে ভরে যায়, এবার তো হচ্ছে না তবুও আপনি আসলেন!'

কৃতার্থ! আপন করে নেওয়ার জাদু মাখা মুখ!

শান্ত, স্মিত মুখে বলে, "সারাদিন কত ব্যস্ত থাকতে হত বাইচ করতে আসা লোকেদের রান্না বাড়ায়। এবার গাঁ শুদ্ধ লোকের মন খারাপ।"

মর্জিনা তার বড়ো ননদকে ডেকে এনে পরিচয় করিয়ে দেয়। ভারী আলাপী। তিন কন্যের জননী। বাপের বাড়িতে থাকে। মেয়েরা বি এ, এম এ পাশ। চাকরি বাকরি পায়নি। ছোটটি অবিবাহিত।

মর্জিনা গৃহকাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। ওর শাশুড়ি-ননদ ধাপাড়িয়া গাঁয়ের গল্প করে। গায়ে একঘর কামার ও নাপিত ছাড়া সবাই মুসলমান। পাশাপাশি গাঁয়ের হিন্দু মুসলমানদের মধ্যে কোনদিন কোন ঝগড়া গন্ডগোল হয়নি। জমিজিরেত নিয়ে গন্ডগোল নিজেদের মধ্যে। এই যে এবার নৌকাবাইচ, মেলা হবে না, সেটাও তো এই গাঁয়ের লোকেদের জন্য। মাঠখানায় সোনার ফসল ফলে। বিল, পলি পড়ে ভরাট হওয়ায় চাষিদের ভারী সুবিধা হয়েছে, বছরে তিনটে ফসল ফলে। চাষির হাতে পয়সা আছে। আগে শুধু আমন ধান হত। রাশি রাশি মাছ, শাক, কচুঘেচু ছিল। ১০-১২ বছর ধরে পাট চাষ হচ্ছে। ভালো মানের পাট। এ বছর খুব সুন্দর পাট হয়েছে। দামও পেল চাষি।

কুন্তী বলে, তোমারা বাইচের নৌকায় উঠেছো?

মা-মেয়ে সমস্বরে বলে ওঠে, না। মেয়ে-বউদিগের বাড়ির বাইরে যাওয়া নিষেধ ছিল। তাদের কাজ ছিল বাড়ির অন্দরে। মা কোনোদিন বাইচ দেখতে যায়নি। ছোটোকালে আব্বা আমাকে নিয়ে যেত।

মর্জিনা হাত পা ধুয়ে ফ্রিজ খুলে কাঁচের গ্লাসে ম্যাংগো জুস এনে সামনে ধরে। কুন্তী না করতে পারেনা। ওর স্বামী বিদেশে থাকে বয়স্ক শ্বশুর শাশুড়ি দুই মেয়ে নিয়ে সংসার। শাশুড়ির ভারী আক্ষেপ তাদের পরিবারে শুধুই মেয়ে। তার তিন মেয়ে এক ছেলে। ছেলের দুই মেয়ে বড় মেয়ের আবার তিন মেয়ে, ছেলে নেই। একমাত্র ছেলে বিদেশে পড়ে রয়েছে।

নমাজ পড়ে রফিক সাহেব বাড়ি ফিরে এল। কুন্তীকে দেখে কপাল কুঁচকে ওঠে।

"কোথা থেকে আসা হচ্ছে, কী বৃত্তান্ত?" কুন্তীকে প্রশ্ন করে।

কলমার নৌকা বাইচ দেখব বলেই বেরিয়ে পড়েছি।


কলমা বিল

উত্তর শুনে বৃদ্ধের কপালের কুঞ্চিত রেখা মিলিয়ে যায়। এবার বাইচ তো হচ্ছে না, কষ্ট করে আসায় সার হল।

আসাটা একদম বৃথা নয়। এ অঞ্চলের গল্প তো শোনা যাবে। আপনার ছোটোবেলার বাইচের গল্প শোনান। সেটাও তো কম নয়।

নৌকাবাইচ কে/কারা, কবে শুরু করেছিল, আমার জানা নেই। বাপ, বড়ো বাপের সময় বাইচ হত এটুকু বলতে পারি। এ তল্লাট হিন্দু জমিদারদিগের ছিল। কলমা বিলও। বেচে দিয়ে বহরমপুরে চলে গেছে। বাইচ হতো বটে আমাদের কলমায়! উৎসব, উৎসব! মানুষের উৎসব। কত ভাব ভালোবাসা ছিল। এখন মুরুব্বিদের কথার দাম নাই। যুবকদের মর্জিতে চলে সব।

কলমাবিল দেখার আগ্রহ কুন্তীর যতটা, দেখানোর আগ্রহ ওদেরও ততটাই। মেঘলা আকাশ। যেকোনো সময় জোর বৃষ্টি হতে পারে। কলমা বিল দেখার জন্য কুন্তী ব্যস্ত হয়ে পড়ে। মর্জিনা বলল যে ওর বড় ননদের মেয়ে সঙ্গে যাবে। এর মধ্যে মেঘ আরো ঘন কালো হয়ে উঠেছে। নামলে, ভাসিয়ে দেবে। সকলেই একটু বসে যেতে বলল। আবার গল্প জমে ওঠে।

মর্জিনার শ্বশুর লেখাপড়া জানা মানুষ। ভাষা মার্জিত। সাত পুরুষের বাস। কলমা বিলের আগামাথা তার ভালোয় জানা। কলমার একমাথা রাধানগরে জলঙ্গীর সঙ্গে যুক্ত, অন্যমাথা দেবগ্রামের পাগলাচণ্ডীর দোয়ার সঙ্গে যুক্ত। অনুমান, অতীতে ভাগীরথীর সঙ্গে যুক্ত ছিল। জলঙ্গী বা ভাগীরথীর সঙ্গে সরাসরি নয়, খাল দ্বারা যুক্ত। বর্ষায় জল থৈ থৈ গ্রামটুকু জেগে থাকত।

বৃষ্টি তেমন হল না। মেঘ কেটে গেল। মর্জিনার ভাগ্নি (যামিনী) আর তার বান্ধবী (মানবী)র সঙ্গে কুন্তী চলল কলমাবিলে। যামিনী স্বল্পভাষিনী। ঘোমটা দেওয়া ওড়নার ফাঁক দিয়ে ডাগর চোখ মেলে দেখতে ব্যস্ত! মানবীর কাছে ওড়না বাড়তি বোঝা। দুজনে এবছর বি এ পাশ করেছে। মানবী চাকরির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। দুইবেলা দৌড় প্রাক্টিস করে। রক্ষণশীল বাপের মেয়ে যামিনী। পড়াশোনা শুধু ডিগ্রী অর্জনের জন্য। জানালাটা খোলার সাহস কোনোদিন কী অর্জন করতে পারবে? 

(ক্রমশ)

আলোকচিত্রঃ লেখিকার কাছ থেকে প্রাপ্ত।