বিবিধ

আমার খেলোয়াড় বন্ধুরা



বিমল দেব


আমি কোনোদিনই খেলাধুলো করিনি আমার ভগ্নস্বাস্থ্যের জন্য। খেলতে ভয় পেতাম। তবু আশ্চর্য আমার অনেক খেলোয়াড় বন্ধু আছেন, তাঁরা আমার শুভানুধ্যায়ী। তাঁদেরই মধ্যে বিশেষ কয়েকজনকে নিয়ে আজ স্মৃতিচারণ করব।

সুকুমার সমাজপতি

একজন প্রখ্যাত খেলোয়াড়। তিনি আমাকে স্নেহ করেন, আমার বিপদে পাশে দাঁড়িয়েছেন বহুবার। সুকুমারদা সংগীতচর্চা করেন, সাহিত্যের পাঠক তিনি, আর অনন্য ভদ্রলোক। পরিশীলিত মানুষ সুকুমার সমাজপতি, তাঁর সাংস্কৃতিক আভিজাত্য আছে। সর্বদাই আমার খোঁজ খবর রাখেন। আমি আমার কাব্যগ্রন্থ 'শেষ ট্রাম' সুকুমার সমাজপতিকে উৎসর্গ করেছি। সুকুমার সমাজপতির পদবি গঙ্গোপাধ্যায়, উপাধি সমাজপতি। তিনি ফরিদপুর জেলার কোটালি পাড়ার মানুষ। ৮৫ বছর বয়সেও তিনি তরুণ।

বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য

বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্যর সঙ্গে ২০১৮ সাল পর্যন্ত সপ্তাহে দু'দিন দেখা হতো। রবীন্দ্র সরোবরে তাঁর ক্লাবের পাশের ঘরেই ছিল আমাদের নাটকের ঘর। কতো দিন সন্ধ্যায় গল্প করেছি নানা বিষয়ে। বিশ্বজিতের দাদা সাহিত্যিক কিন্নর রায়, 'কিন্নর রায়' অবশ্য তাঁর ছদ্মনাম।

সুরজিৎ সেনগুপ্ত

শিক্ষিত মানুষ। ব্যাঙ্কের আধিকারিক থাকার সময় আমাকে বিজ্ঞাপন দিতেন। আমার লিটল ম্যাগাজিনে সেই বিজ্ঞাপন ছাপা হতো। তাঁকে আমি আমার পাড়ার অনুষ্ঠানে নিয়ে এসেছিলাম। তিনি গান গাইলেন, একটি শব্দও ব্যয় করলেন না খেলার বিষয়ে।

এছাড়া লোপামুদ্রা ভট্টাচার্য, ক্রমটন দত্ত, প্রদীপ বিশ্বাস, বিভূতি মজুমদার প্রমুখ খেলার জগতের মানুষদের সঙ্গে আমার পরিচয় আছে। এই ঘটনা আমার কাছেও অবিশ্বাস্য!