ক্রীতদাস-ক্রীতদাসী
কী আর লিখবে বলো?
তুমিতো লিখেছো অনেক...
দেখো, আমার ঘরে পড়েনি ঝাঁট,
আমার আঁচলের ফুল বাসি।
একটা নদী তাহলে লেখ,
দু'দিক সামলাব দুজনায়,
একে অপরের ক্রীতদাস-ক্রীতদাসী!
একতারা
দুটি সুর মিলিয়ে গেল,
তখন শাখার থেকে ফুল ঝরল অনেক।
সন্ধ্যার বাতাস গায়ে লাগল বেশ
আমি উঠোনময় চাইলাম,
দেখলাম, বৃষ্টির জলে গলে গেছে বসার বেদি।
এখন ঘরে ইঁদুরের উৎপাত -
এখন সুরের ঝঙ্কার নয়
এক কোণে পড়ে আছে একতারা!
অক্ষরের সন্ধান
অক্ষরের ওপর রাগ হলে,
প্রকৃত অক্ষরের খোঁজ না পেলে,
মনে হয় অপচয় -
অহেতুক চাপিয়ে যাচ্ছি ভার,
যা নিজের নয় সেই ভার
রেখে যাচ্ছি সূর্যের দিকে।
অক্ষর চুপি চুপি আসে।
তখন আলোক-কলির মতো
চাঁদের স্নিগ্ধ পরশে উজানের স্রোতে
পাড়ি দেয় বৈঠাখানি -
নিজেকে খুব মুক্ত মনে হয়।
হিড়িম্বা
তুমি আমায় রাক্ষসী বলো,
রাগ নেই!
সুন্দরী বোলো না,
তুমি আমার গর্ভে সন্তান দিও
আমি বইব ঠিক,
শুধু তোমার পাশে
সিংহাসনে বসিও না!
