
বেলাশেষে একমুঠো রোদ্দুর কুড়িয়ে নিয়ে হেঁটে গেলাম
পঞ্চতপা নদীর ধারে,
হেমন্তের পাংশুটে বিকেলটার
পাঁচিলে লেগে আছে একটা সোনালী আলো।
আদুরে বাতাস আলাপ জমিয়েছে
মেহগনি গাছটার পাতায় পাতায়।
চারদিকে কেমন একটা শিরশিরানি ভাব।
নদীর শরীর জুড়ে একরাশ আলস্য
কেতাবি কায়দায় খেলা করে চলেছে।
সোনালী আলোটা ক্রমশঃ ক্ষীণ হচ্ছে।
সূর্য ডুব দিচ্ছে পশ্চিম দিগন্তে,
আস্তে আস্তে গভীর হচ্ছে অন্ধকারের আলিঙ্গন।
অনেক দূর থেকে ভেসে আসছে
পরিযায়ী পাখিদের অবাধ্য আলাপচারিতা,
আর কিছু জোনাকির ডানার
টুকরো টুকরো আলোর আভা।
অন্ধকারের বুক চিরে যে পথটা
সোজা চলে গেছে খালপাড়ের বস্তির দিকে
তার আনাচে কানাচে জমা হয়ে আছে
অনেক অপূর্ণতার বিবেকহীন বৈভব।
সে ফিরে পেতে চায় তার দারিদ্রের কৌলিন্য,
ফিরে পেতে চায় একপেশে রঙচটা জীবনের
পড়ন্ত বেলার অস্তিত্ব। কিন্তু সে বারবার ফিরে পায়
জীবনের মোড়কে শুধুই শূন্যতার অবিমিশ্র আর্তনাদ।
চিত্রঋণঃ অন্তর্জাল থেকে প্রাপ্ত।
